• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে ১২০০ রানারের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ‘রান ফর সিল্ক সিটি’ চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের তিন জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সন্দেহে আটক ২৬০ সুপার এল নিনোর প্রভাবে সবচেয়ে শুষ্ক মরুভূমিও এখন রঙিন ফুলের বাগান রুটি দিয়ে ত্বকের যত্ন! জেনে নিন ত্বকযত্নে বাসি রুটির জাদুকরি ভূমিকার কথা দিনদুপুরে অস্ত্র হাতে সোনার দোকানে ডাকাতি, রক্ষা পাননি ক্রেতাও মাদ্রাসার ছাদে ‘বিদ্যুতায়িত হয়ে’ দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, সবার অবস্থা গুরুতর অসুস্থতার কথা বলে কক্ষে যাওয়ার পর মাদ্রাসাছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সুপার এল নিনোর প্রভাবে সবচেয়ে শুষ্ক মরুভূমিও এখন রঙিন ফুলের বাগান

Reporter Name / ০ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক ও নিঃসঙ্গ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত মরুভূমিগুলোতে সম্প্রতি এক অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সাধারণত যেখানে সারা বছরে মাত্র ১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে, সেখানে জলবায়ুর ভিন্নতার কারণে এবার ভিন্ন চিত্র দেখা মিলল। আবহাওয়ার এই চরম রূপান্তরের ফলে ধু-ধু বালুচর এখন চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ এবং রঙিন ফুলে সেজে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চালিকাশক্তি হলো শক্তিশালী সুপার এল নিনো। বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া চক্রের ওপর এর মারাত্মক প্রভাবের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলস্বরূপ বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক অঞ্চলগুলোতেও অস্বাভাবিক মেঘমালা তৈরি হয়েছে এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত নিশ্চিত হয়েছে, যা দীর্ঘকাল ধরে সুপ্ত থাকা উদ্ভিদের বীজগুলোকে অঙ্কুরোদগমে সাহায্য করেছে।

সাধারণত এই মরুভূমির ভেতরের অত্যন্ত শুষ্ক অংশে বার্ষিক বৃষ্টির পরিমাণ মাত্র ১ থেকে ৩ মিলিমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। অনেক বছর তো এর চেয়েও কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যার ফলে সেখানে উদ্ভিদ জীবন টিকে থাকাই এক প্রকার অসম্ভব। কিন্তু সাম্প্রতিক এই অস্বাভাবিক জলবায়ু পরিবর্তনের কল্যাণে মরুভূমির বুক চিরে লাখ লাখ বুনো ফুল ফুতে উঠেছে, যা স্থানীয় পরিবেশবিদদের মধ্যেও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

প্রকৃতির এমন রূপান্তর দেখতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন ওই এলাকায়। মরুভূমির এই রূপ সাধারণত কদাচিৎ দেখা যায় এবং তা খুব অল্প সময়ের জন্যই স্থায়ী হয়ে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের মাঝেই প্রকৃতির এই রূপালী রূপ এক অনন্য সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে, যা বিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com