• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিদ্যালয়ের পুকুরে মাছ ধরার উৎসব, মিলল ১০ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’, আড়ালে চলে মাদক কেনাবেচা ধর্ষণ ও সিইসি বিতর্কে দিল্লি উত্তাল, এর মধ্যেই ‘ভজন ক্লাবিং’-এ মোদি নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবা, মুখে রুটি তুলে দিচ্ছিল ছোট্ট মেয়ে এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন বনানীর আহমেদ টাওয়ারে আগুন বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস চুরির অভিযোগ: তবুও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার দৃশ্য মানুষকে কাঁদিয়েছে

পঞ্চম দিনেও অচল চুয়েট, নতুন ভিসিকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদে চলমান ছাত্র-শিক্ষক আন্দোলন পাঁচ দিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার দাবিতে ক্যাম্পাসে সব ধরনের ক্লাস এবং পরীক্ষা বর্জন করা হয়েছে। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় এবং সেখানে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা লাল কার্ড প্রদর্শন করে নতুন এই নিয়োগকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পূর্ণ কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নতুন উপাচার্য তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলনকে খাটো করে দেখছেন এবং একে মাত্র গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর আন্দোলন বলে মন্তব্য করেছেন। তার এই বক্তব্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে এবং অনলাইনে তার যোগদান করার প্রক্রিয়াটিও তারা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই নতুন উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে মেনে নেবেন না।

উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূর্বের উপাচার্যকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে এবং শিক্ষার্থীরা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নতুন উপাচার্য জানিয়েছেন যে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দ্রুত পরিবেশ শান্ত করে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে চান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com