• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের মধ্যাহ্নভোজ বৈঠক নেতিবাচক মন্তব্য থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে চান জনপ্রিয় ব্যতিক্রমী দম্পতি ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজধানীমুখী মিছিল, ইসলামাবাদে লকডাউন ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন সৌদি মিত্ররা একজোট, হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতি বিদ্রোহীরা শেখ হাসিনাকে ফেরানোর শপথ নেওয়ার পর পুলিশের হাতে আটক জার্মানজুড়ে ৪৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর গণবিক্ষোভ বোমা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিউইয়র্ক—সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন ইরানের নেতারা ওয়াশিংটন সফরে ‘সফট পাওয়ার’ দেখালেন চীনের ফার্স্ট লেডি পেং

ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন

Reporter Name / ৬ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের শীর্ষ নেতা সি চিনপিংয়ের সাম্প্রতিক শীর্ষ বৈঠকটি দুই পরাশক্তির সম্পর্কে নতুন কোনো বড় সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর কূটনৈতিক মহলে বড় ধরনের কোনো চুক্তি বা দৃশ্যমান অগ্রগতি স্বাক্ষরিত না হওয়ায় অনেকেই একে সীমিত অর্জন হিসেবে দেখছেন। তবে তা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের তরফ থেকে এই বৈঠক নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে এবং একে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পর্কের বরফ গলানো এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়া রোধ করা।

বৈঠকের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নানা জটিল সমীকরণ। এ প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বর্তমানে যে অতিরিক্ত আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে তা আদতে একটি বড় ভাঁওতা মাত্র। তাঁর মতে, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে নিয়ন্ত্রণ বা ভয়ের নামে যেসব আলোচনা চলছে, শেষ পর্যন্ত তাতে কৌশলগতভাবে চীনই বেশি সুবিধা লাভ করছে। মার্কিন নেতার এমন মন্তব্য প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং এর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই অবস্থান এবং ট্রাম্পের মূল্যায়ন বেইজিংয়ের নীতিনির্ধারকদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। চীনের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্পের এ ধরনের বক্তব্য তাদের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রাকে খাটো করার পশ্চিমা প্রচেষ্টাকে কিছুটা হলেও ভোঁতা করে দেয়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো সংবেদনশীল খাতে মার্কিন রক্ষণশীল নীতিমালার বিরুদ্ধে এটি একধরনের পরোক্ষ স্বীকৃতি। ফলে আনুষ্ঠানিক কোনো বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলেও, বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখতে পেরে চীন এই বৈঠক থেকে নিজেদের মতো করে ইতিবাচক বার্তা আদায় করে নিয়েছে।

সবমিলিয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সতর্কবার্তা এবং অন্যদিকে বেইজিংয়ের বাস্তবমুখী সন্তুষ্টি—সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বজায় থাকলেও সরাসরি সংঘাত এড়াতে এই আলোচনা কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতের বাণিজ্য নীতি এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় দুই পরাশক্তি কীভাবে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com