• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মেসির সবচেয়ে পছন্দের খাবার কী, কেমন তাঁর ডায়েট চার্ট জি২০ সম্মেলনে পুতিনকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ, ইউরোপের আপত্তি এআই কীভাবে সত্যিই ‘সব মানুষকে মেরে ফেলতে’ পারে? সবচেয়ে সম্ভাব্য পাঁচটি পরিস্থিতি মরিনিওর নতুন রিয়াল মাদ্রিদ : যা কিছু ভালো, যা কিছু মন্দ আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সুবিধা নেওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি একই মঞ্চে একদিনের ব্যবধানে দুই নেতার ভাষণ, ইরান যুদ্ধের শেষ অনিশ্চিত শুধু ডিগ্রি নয়, শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে হবে: ববি নিজস্ব মোবাইল ফোন আছে ৬৬ শতাংশ মানুষের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক

Reporter Name / ২ Time View
Update : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করার পর থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড আলোচনায় এসেছে। গত দুই বছর ধরে শিক্ষার্থীদের মারধর, লাইব্রেরিতে হামলা, শিক্ষক ও প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের মতো ঘটনা ঘটিয়ে তিনি বারবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন। সম্প্রতি রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় নতুন করে তার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আন্দোলনের নামে এই ধরনের সহিংস আচরণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর আশেপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করছে।

সর্বশেষ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে রাজশাহী স্টেশনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে, যার প্রতিবাদে রেললাইনে আগুন জ্বালিয়ে আলটিমেটাম দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চার নিরাপত্তা কর্মীকে বহিষ্কার করলেও আম্মারের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এর আগে গত বছর জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎ এবং লাইব্রেরিতে ঢুকে হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীকে বেলচা দিয়ে হত্যার হুমকির বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

এ ছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মাসুদ হত্যাকাণ্ডের মামলাতেও নাম এসেছে এই ছাত্রনেতার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিনোদপুর বাজারে সংঘটিত ওই ঘটনার একটি ভিডিওতে তাঁর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা নিয়ে বর্তমানে পিবিআইয়ের তদন্ত চলমান রয়েছে। কনসার্ট আয়োজনের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিপুল পরিমাণ চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করার সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাওয়ের মতো ঘটনা ঘটেছিল।

গত বছরের ডিসেম্বরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগপন্থী ডিনদের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন আম্মার। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য প্রতিপক্ষরা এসব মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। অন্যদিকে গণতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্রদল এবং সাধারণ শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের মব কালচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করছে এবং এর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com