• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নগদ অ্যাপে আইএফআইসি ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা দিতে সমঝোতা চুক্তি আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরো তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত কুষ্টিয়ায় ভেজাল সার বিক্রির দায়ে লাখ টাকা জরিমানা সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ পুরোপুরি চালু হয়নি পিরোজপুর ডাম্পিং স্টেশন, রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা জবিতে প্রথমবারের ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন অধ্যাপক ইমরানুল শরতের সাদা কাশফুলে সেজেছে হিলির ছোট যমুনা ফিফা সংস্কারে আলোচনায় প্রস্তুত ইনফান্তিনো চবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক কামরুল হোসেন নকশা অনুমোদনে ভোগান্তি কমাতে রাজউকে ওয়ানস্টপ সার্ভিস

সওজ বলছে অনুমোদন নেই, বন বিভাগ কাটছে তবু সিলেট-তামাবিল সড়কের গাছ

Reporter Name / ১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যার কাজ সুরমা গেট এলাকা থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী টিলাগড় থেকে সুরমা গেট পর্যন্ত অংশটি মূল প্রকল্পের বাইরে থাকার কথা থাকলেও, সম্প্রতি ওই নির্দিষ্ট এলাকার গাছপালা কেটে ফেলা হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে এই অংশের গাছ কাটার কোনো ধরনের অনুমোদন বা নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে উন্নয়ন কাজের আওতা বহির্ভূত এই এলাকায় কেন নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, টিলাগড় থেকে সুরমা গেট এলাকাটি সরাসরি মূল উন্নয়ন কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়। তা সত্ত্বেও বন বিভাগের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের গাছগুলো কেটে ফেলার উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে কোনো ধরনের সড়ক উন্নয়নের কাজ পরিচালিত হওয়ার কথা নয়, সেখানে কেন প্রকৃতির এমন ক্ষতিসাধন করা হচ্ছে—তার কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষ বা সংশ্লিষ্টরা পাচ্ছে না।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, তাদের পক্ষ থেকে টিলাগড় থেকে সুরমা গেট পর্যন্ত অংশে গাছ কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ বন বিভাগের তরফ থেকে এই গাছগুলো অপসারণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দুই সরকারি সংস্থার মধ্যকার সমন্বয়হীনতার চিত্রকেই ফুটিয়ে তুলছে। অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট না করেই এভাবে গাছ কেটে ফেলা সরকারি নিয়মবহির্ভূত কি না, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অপরিকল্পিতভাবে এবং যথাযথ নিয়ম না মেনে এ ধরনের গাছ কর্তন দেশের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উন্নয়নের অজুহাতে প্রকল্পের বাইরে থাকা এলাকার গাছ ধ্বংস করার এই প্রবণতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং বন ও সড়কের ভারসাম্য রক্ষায় জোরালো ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com