• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাগজে কলমে ২ বালুমহাল ইজারা শ্রীমঙ্গলে, বাস্তবতা ভিন্ন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের দৃষ্টিতে ২০২৭ সালে ভ্রমণের জন্য বিশ্বের সেরা ২৫টি গন্তব্য রান্নার হাঁড়ি থেকেই খাবারে মিশছে সিসা, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ গবেষণা বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুঠিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান ইসলামি ব্যাংকি: শুধু কি ‘বিকল্প’ ব্যবস্থা, নাকি নৈতিক দর্শন পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল চালু, গ্যাসের সরবরাহ বাড়ছে মানসিক রোগীর চরিত্র আর মারধরের অভিযোগ: বিরোধে জড়ানো দুই অভিনেত্রী ফ্যাশন দ্বৈরথেও কম যান না বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান ঘুমিয়ে মিলল ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ফ্রিতে ছুটি কাটানোর সুযোগ

শরীরে পিলেট নিয়ে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জবানবন্দি

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর মেরুল বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র হামলার চাঞ্চল্যকর বিবরণ উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এক সাক্ষ্যে মো. নবী হোসেন সজিব নামের এক ব্যক্তি এই লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন। তিনি আদালতকে জানান যে ওই দিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছিল।

নিজের ওপর ঘটে যাওয়া নির্মমতার বর্ণনা দিয়ে সাক্ষী আদালতকে জানান যে উক্ত সহিংসতায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের নেতাকর্মীরা সেদিন ওই এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল এবং তাদের ছোঁড়া ছররা গুলির পিলেট এখনো তার শরীরে বিঁধে রয়েছে। শারীরিক ও মানসিক এই যন্ত্রণার মধ্য দিয়েই তিনি সেদিন জুলাই অভ্যুত্থানের বিভীষিকাময় মুহূর্তগুলো প্রত্যক্ষ করেছিলেন বলে ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের জানান।

সাক্ষ্যগ্রহণকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারকগণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তার বক্তব্য শোনেন এবং ঘটনার বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও বস্তুগত প্রমাণ পর্যালোচনা করেন। সেদিনের সেই নৃশংসতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার জন্য এই ধরনের সাক্ষ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষের ওপর এই ধরনের প্রাণঘাতী হামলার বিচার নিশ্চিত করতে তদন্তের কাজ আরও বেগবান করা হয়েছে।

জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পরিচালিত হচ্ছে। একের পর এক প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এই বিচার কাজকে দ্রুত এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এই সাক্ষ্যগুলোর ভিত্তিতে দোষী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com