• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
‘আব্বু, আমাদের জাহাজে মিসাইল অ্যাটাক হইছে’ কর্মী নেবে ব্যাংক এশিয়া, স্নাতক পাসেই আবেদনের সুযোগ সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৩২ জন এআই দিয়ে বিসিএস গেজেট জালিয়াতি, কুয়াকাটায় আটক ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানি প্রেসিডেন্টের বৈঠক, যা আলোচনা হলো নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ যুবক মারা গেছেন, এলাকায় উত্তেজনা ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম আবার চালু করল ইসি যুক্তরাষ্ট্রে বোমারু বিমানসহ চীনের প্রেসিডেন্ট সিকে বিরল অভ্যর্থনা ট্রাম্পের কুমিল্লায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১৮ থানার পুলিশ, আটক ৬২৪ ভারতে মধ্যরাতে বাসে আগুন, ৯ জনের মৃত্যু

জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে এক কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। জাতিসংঘে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে তিনি বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে নাকি কোনো কূটনৈতিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো হবে, সে বিষয়ে তাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বড় একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার ঢেউ তোলে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান যে, চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের যদি স্থায়ী কোনো সমাধান না আসে, তবে মার্কিন শক্তির আঘাতে ইরানকে পুরোপুরি মুছে বা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হতে পারে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম বড় মঞ্চে এ ধরনের আগ্রাসী ভাষা ব্যবহারের ফলে বিশ্বনেতারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখার প্রধান এই সংস্থার সাধারণ অধিবেশনে এমন হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন এই চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই জাতিসংঘে অবস্থিত মিলনায়তনে ইরানের নিজস্ব প্রতিনিধিদলের একজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রতিপক্ষের প্রতিনিধি দলের সামনে সরাসরি এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করার ঘটনা কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রচেষ্টাকে আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ওই ইরানি প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরিতা এবং আস্থার সংকটকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে দফায় দফায় অবনতি ঘটলেও এই ধরনের প্রকাশ্য হুমকি পরিস্থিতিকে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক সংঘাত এড়াতে এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করার তাগিদ অনুভূত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com