• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শ্রীনগরের উমপাড়ায় শুরু হলো ‘তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার’ হবিগঞ্জের মাধবপুর মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ মুন্সীগঞ্জ শহরে অবৈধ পুকুর ভরাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন লংমার্চ করে আ. লীগকে ফেরানোর পরিবেশ সৃষ্টি করছে জামায়াত: রাশেদ খান বাধা সৃষ্টি হলে ভেঙে লং মার্চ রংপুরে অগ্রসর হবে: আজহার বিলুপ্তির কিনারা থেকে ফিরে আসা পান্ডা কেন শুধু চীনেই পাওয়া যায়? গুম বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ ফেরানোর দাবি আখতারের গুমের আইন সংশোধন করতে হবে: নাসীরুদ্দীন নাগরিকরা যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে পারেন, ঢুকতেও পারেন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা

গুম বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ ফেরানোর দাবি আখতারের

Reporter Name / ১০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশে চিরতরে গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এক বক্তব্যে এই দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, দেশের মাটি থেকে গুমের মতো নৃশংস অপরাধ চিরতরে নির্মূল করতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গুমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে ইতিপূর্বে জারি করা অধ্যাদেশটি অবিলম্বে পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছেন এই রাজনৈতিক নেতা। বিগত দিনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে যেভাবে নিখোঁজ করা হতো, তার পুনরাবৃত্তি রোধে এই অধ্যাদেশ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তাই এটিকে পুনর্বহাল করে এর আইনি ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠনের তাগিদ দিয়েছেন আখতার হোসেন। তার মতে, এ ধরনের কমিশন গঠিত হলে তা কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাব ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা সমাজে ভয়ের সংস্কৃতি দূর করতে সাহায্য করবে।

রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কিংবা রাষ্ট্রীয় অন্যান্য বাহিনীর কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমেই কেবল একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com