• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি, সাইবার সুরক্ষা আইনে যুক্ত হচ্ছে বিধান ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি আসছে শিগগির চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী চীনা দূতাবাসের অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রতিনিধি দল খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস সিলেটে আলোচনা সভা করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নেতারা, স্থান উল্লেখ করেননি প্রাণিসম্পদে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে: প্রতিমন্ত্রী সংবিধানকে অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: ড. কামাল হোসেন প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন মনিটরিং নীতিমালা, আসছে পরিমার্জিত কারিকুলাম: প্রতিমন্ত্রী ববি

গুম বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ ফেরানোর দাবি আখতারের

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশে চিরতরে গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এক বক্তব্যে এই দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, দেশের মাটি থেকে গুমের মতো নৃশংস অপরাধ চিরতরে নির্মূল করতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গুমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে ইতিপূর্বে জারি করা অধ্যাদেশটি অবিলম্বে পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছেন এই রাজনৈতিক নেতা। বিগত দিনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে যেভাবে নিখোঁজ করা হতো, তার পুনরাবৃত্তি রোধে এই অধ্যাদেশ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তাই এটিকে পুনর্বহাল করে এর আইনি ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠনের তাগিদ দিয়েছেন আখতার হোসেন। তার মতে, এ ধরনের কমিশন গঠিত হলে তা কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাব ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা সমাজে ভয়ের সংস্কৃতি দূর করতে সাহায্য করবে।

রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কিংবা রাষ্ট্রীয় অন্যান্য বাহিনীর কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমেই কেবল একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

bditwork.com