• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন রাহুলের চ্যালেঞ্জ মোদিকে, জবাব দিতে এগিয়ে এলেন অমিত শাহ চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে নিজেদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য আজ যে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা জিয়াউর রহমানই দেখিয়ে গিয়েছিলেন: এম সাখাওয়াত হোসেন ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র: ইউজিসি চেয়ারম্যান বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে: নাহিদ ইসলাম বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে কর্মী নিয়োগ, বেতন ৫২ হাজার টাকা ইসরায়েলে রেজিম চেঞ্জ: ফিলিস্তিননীতির পরিবর্তন, নাকি দখলদারত্বের নতুন কৌশল

এসএসএফের সাবেক ডিজি মজিবুর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষ বাহিনী এসএসএফের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মজিবুর রহমান এবং তার স্ত্রী তাসরীন মজিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদকের পক্ষ থেকে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা দেশের প্রশাসনিক ও দুর্নীতিবিরোধী মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীল পদে কর্মরত থাকা একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠার বিষয়টি বেশ চাঞ্চল্যকর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দুদকের অনুসন্ধানে এই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রায় ১০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, তাদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত এই সম্পত্তির প্রকৃত উৎস এবং বিবরণ সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দা তথ্য ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এই অনুসন্ধানের কাজ পরিচালনা করছিল দুর্নীতি দমন কমিশন, যার ফলশ্রুতিতে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় যে, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অসাধু উপায়ে এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তার স্ত্রী তাসরীন মজিবের নামেও বেশ কিছু স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান মিলেছে, যা তাদের বৈধ আয়ের সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দুদক কর্মকর্তারা নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছেন কীভাবে এবং কোন কোন খাতের মাধ্যমে এই অবৈধ অর্থ উপার্জন করা হয়েছে।

এই দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ধারায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং প্রয়োজনে তাদের ব্যাংক হিসাবসহ অন্যান্য সম্পদও তল্লাশি করা হতে পারে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com