• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বাংলা-ইংরেজির বাইরে তৃতীয় যে ভাষা শেখাতে চায় সরকার হাবিপ্রবির গবেষণা: উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় কীটনাশক ছাড়াই বেগুন-ঢেঁড়স চাষ মাদারীপুরে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে অব্যাহতি বে টার্মিনালে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের পিএসএ সংবিধান সংশোধন কমিটির সভা বর্জন করলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সংযোগ থাকতে পারে, তবে শেখ হাসিনার ফেরার পথ তৈরি হচ্ছে না: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে জাপান সফরের বিষয়ে অবহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধের চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে: জামায়াত আমির ৬০% স্নাতক ডিগ্রিধারী যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি না পেয়ে করছেন অন্য কাজ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত জুলাই মাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এই রায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত নৃশংসতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তির এই আদেশ আসে। বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাত শীর্ষ নেতার মধ্যে রয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা কিংবা পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা আদালতে সাক্ষীদের বয়ান এবং বিভিন্ন ডিজিটাল নথিপত্র উপস্থাপন করে তাদের অপরাধ প্রমাণে সক্ষম হন, যার ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের সেই দিনগুলোতে আন্দোলন দমনের নামে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচার হামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় শীর্ষ নেতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশেই এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল বলে ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। বিচারিক কার্যক্রম চলাকালীন প্রসিকিউশন টিম আসামিদের বিরুদ্ধে একের পর এক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উপস্থাপন করে, যা দেশের বিচার ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই রায়ের মধ্য দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে মামলার অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া এবং দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই যুগান্তকারী রায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com