• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজধানীতে ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের দাম বেড়ে ৩২ ডলার, ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা: জ্বালানিমন্ত্রী সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাওয়ার সব আয়োজন পূর্ণ করেছে: জামায়াত আমির ‎জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলবে এক্সপ্রেসওয়ে ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, অথচ ইশতেহারে ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্রী অস্বস্তিতে থেকে দিন শেষ বাংলাদেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’

এবার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার মামলায় সাহেদ করিম গ্রেফতার

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারিক আদালত এই আদেশ দেন। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চলা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে আরও একটি দুর্নীতি মামলার আইনি কার্যক্রম যুক্ত হলো।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের মার্চ মাসে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে সাহেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে দুদক ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মোহাম্মদ সাহেদ এবং তার স্ত্রী সাদিয়া আরবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সাহেদের স্ত্রী সাদিয়া আরবী তার জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে বড় অংকের সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন এবং তার নিজের কোনো নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস ছিল না। মূলত সাহেদ অবৈধ পন্থায় ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তার স্ত্রীর নামে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে এই সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছিলেন। এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে মামলার শুনানিকালে সাহেদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও আদালত তা আমলে নেননি। প্রতারণা, জালিয়াতি ও চেক ডিজঅনারসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদ ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে কারাবাস করছেন। সম্প্রতি ব্যাংক ঋণখেলাপি ও অন্যান্য মামলার পরোয়ানায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমান আইনি আদেশের ফলে তার কারাবাসের মেয়াদ আরও দীর্ঘায়িত হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com