অর্থনীতি ডেস্ক: অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত গ্রামীণ কল্যাণের নিকট থেকে বকেয়া কর আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন মেনেই এই কর আদায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে যাতে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়। সংশ্লিষ্ট রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়টির ওপর নজর রাখছিলেন এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব নিকাশ শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ ব্যাংক পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরনের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তবে সম্প্রতি তাদের কর অব্যাহতি বা কর পরিশোধের সুনির্দিষ্ট হিসাব নিয়ে আইনি ও প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। এর ফলে উপযুক্ত কতৃপক্ষ সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বকেয়া কর আদায়ের এই নতুন নির্দেশনা জারি করে।
কর সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী সব ধরনের বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে রাজস্ব প্রদান করা বাধ্যতামূলক। গ্রামীণ কল্যাণের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন এবং আয়-ব্যয়ের সঠিক পর্যালোচনার পরেই এই করের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে সরকারি কোষাগারে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব জমা হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকেও এই আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হতে পারে। পুরো বিষয়টি এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।