বিএমইটি (BMET) কার্ডধারী এক প্রবাসী শ্রমিকের লাগেজ র‍্যাপিং করে দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিমানবন্দর এলাকার দুটি লাগেজ র‍্যাপিং মেশিনের ম্যানেজারদের মোট দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আইন অমান্য ও প্রবাসী যাত্রীর ভোগান্তি তৈরির অভিযোগে দুই ম্যানেজারের একজনকে দুই লাখ এবং অপরজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় ও আলোচিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান তার অফিসিয়াল ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের করা মূল পোস্টটি শেয়ার করেছেন। ‘এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট অব বাংলাদেশ’ (Airport Magistrates Bangladesh)-এর সেই ফেসবুক পোস্টে অভিযানের দুটি ছবি যুক্ত করে লেখা হয়- ‘বিএমইটি কার্ডধারী প্রবাসীর লাগেজ র‍্যাপিং করে দিতে অস্বীকার করায় দুইটি মেশিন ম্যানেজারকে দুই লাখ ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘We stand for our people’ (আমরা আমাদের মানুষের পাশে আছি)।

যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি কিংবা বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান দ্রুতই তাকে পরিচিত করে তোলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার পাশাপাশি যাত্রীদের কাছ থেকে তিনি পান ‘ফাটাকেষ্ট’ নাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে তার পদবি সিনিয়র সহকারী সচিব।