স্বাস্থ্য ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে শিশু ও কিশোরদের স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে স্থূলতার সমস্যা দিন দিন উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। একসময়ে এই বয়সিদের মধ্যে অপুষ্টি ও কম ওজনের সমস্যা বেশি দেখা গেলেও, বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, কম ওজনের তুলনায় বর্তমানে অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভোগা অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, স্থূলতার চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য ওষুধের ওপর নির্ভর করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং শারীরিক পরিশ্রমহীন অলস জীবনযাপনই মূলত এই সমস্যার প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। প্রক্রিয়াজাত ও ফাস্টফুডের পরিবর্তে শিশুদের পাতে পুষ্টিকর ও ঘরে তৈরি খাবার রাখতে হবে। পাশাপাশি গ্যাজেট বা স্ক্রিনে আসক্তি ক1mিয়ে তাদের নিয়মিত খেলাধুলা এবং শারীরিক কার্যকলাপে উৎসাহী করে তোলা দরকার।

শিশুদের শৈশব ও কৈশোরের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য এই স্বাস্থ্য সমস্যাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। সময়মতো জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন না আনলে ভবিষ্যতে তাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের মতো জটিল অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।