1. দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ার পর এবার গণপরিবহনের ভাড়াও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দূরপাল্লার বাস এবং মহানগর এলাকার গণপরিবহনে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীদের ওপর আর্থিক চাপ আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেল। জ্বালানি ব্যয়ের হিসাব কষে পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সুপারিশ ও সরকারি পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই নতুন হার কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, দেশের সড়কগুলোতে চলাচলকারী বাসগুলোর প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ১৭ পয়সা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন নিয়মিত যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ এবং চাকরিজীবীদের যাতায়াত খরচ বেশ কিছুটা বেড়ে যাবে। বিশেষ করে যারা দূরপাল্লার যাত্রায় বা নিয়মিত নগর পরিবহনে যাতায়াত করেন, তাদের পকেট থেকে এখন থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর থেকেই ভাড়া সমন্বয়ের জোর দাবি জানানো হচ্ছিল। তাদের যুক্তি ছিল, তেলের দাম বাড়ার কারণে বাস পরিচালনা ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে, যা পুষিয়ে নেওয়া না গেলে পরিবহন ব্যবসা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বাড়তি হার নির্ধারণ করেছে বলে জানা গেছে।

ভাড়া বৃদ্ধির এই পদক্ষেপে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে এই বাড়তি ভাড়ার বোঝা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন এই ভাড়ার হার বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং মালিকপক্ষ নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে বিরত থাকবে।