• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজকল্যাণেও এগিয়ে প্রথম আলো: আরিফ দৌলা ৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়নের নিচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সব এজেন্সির সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার সাজেকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির জলবায়ু সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ ম্যাচের আগে অধিনায়ককে হারাল বাংলাদেশ দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সার ডিলারের নিয়োগ বাতিল: কৃষিমন্ত্রী বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

তিনদিনের মুদ্রা প্রদর্শনী: প্রাচীন লিডিয়া থেকে বাংলাদেশ, মুদ্রায় ধরা বিশ্ব ইতিহাস

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল মুদ্রা প্রদর্শনী। বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির আয়োজনে এটি ছিল সংগঠনটির ষষ্ঠ আসর। প্রাচীন লিডিয়ার আমল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় পর্যন্ত বিস্তৃত ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নকশার বৈচিত্র্য এই প্রদর্শনীর মূল আকর্ষণ ছিল। প্রদর্শনীটি দেখতে মুদ্রা সংগ্রাহক ছাড়াও ইতিহাসপ্রেমী নানা বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এই প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৪৩ জন মুদ্রা সংগ্রাহক অংশ নেন। তাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে প্রায় ৬১টি ভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ এখানে তুলে ধরা হয়। প্রাচীন সভ্যতার মোহর থেকে শুরু করে আধুনিক কাগজের নোট—সবকিছুতেই যেন মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার রূপান্তর মূর্ত হয়ে উঠেছিল। প্রতিটি সংগ্রহের পেছনে লুকিয়ে থাকা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দর্শনার্থীদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে।

প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া প্রতিটি মুদ্রাই যেন একেকটি নীরব সাক্ষী হিসেবে অতীতের গল্প বলে গেছে। লিডিয়ার প্রাচীন মুদ্রা থেকে শুরু করে মুঘল আমল, সুলতানি যুগ এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের মুদ্রার বৈচিত্র্য গবেষকদের জন্য ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশেষ করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুদ্রা ও নোটগুলোর সমাহার নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পুরোনো এসব স্মারক দেখে দর্শনার্থীরা মুদ্রার নকশা এবং ধাতুর ব্যবহারে সময়ের পরিবর্তন খুব কাছ থেকে অবলোকন করার সুযোগ পেয়েছেন।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মুদ্রা সংগ্রহ বা নিউমিসম্যাটিকসের প্রতি আগ্রহ বহুগুণ বেড়ে যাবে। শুধু শখ নয়, বরং মুদ্রা যে কোনো জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান দলিল, তা এই আয়োজনের মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পরও এর রেশ বহু দিন সংগ্রাহক ও ইতিহাসপ্রেমীদের মনে থেকে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com