• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন রাহুলের চ্যালেঞ্জ মোদিকে, জবাব দিতে এগিয়ে এলেন অমিত শাহ চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে নিজেদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য আজ যে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা জিয়াউর রহমানই দেখিয়ে গিয়েছিলেন: এম সাখাওয়াত হোসেন ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র: ইউজিসি চেয়ারম্যান বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে: নাহিদ ইসলাম বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে কর্মী নিয়োগ, বেতন ৫২ হাজার টাকা

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

খেলা ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত লিড পাওয়ার পরও জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয় সফরকারী দল। স্বাগতিকদের বিপক্ষে এই শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই ক্রিকেট মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। বিশেষ করে অজি ব্যাটারদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারছেন না দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। প্যাট কামিন্সের দলের এই হতাশাজনক ফলাফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সফল ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও।

ম্যাচটিতে জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ানরা। এর ফলে ১৭৬ রানের বড় জয় নিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেভিড ওয়ার্নার দলের এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে জয় ছিনিয়ে আনার মতো ন্যূনতম লড়াইয়ের মানসিকতাও দেখাতে পারেনি অজি ব্যাটাররা। দলের এমন আত্মসমর্পণমূলক হারকে তিনি লজ্জাজনক ও অস্ট্রেলীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।

ওয়ার্নার আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো সিরিজ জুড়েই ব্যাটাররা তাদের বাজে পারফরম্যান্স দিয়ে বোলারদের চরম হতাশ করেছেন। প্রথম টেস্টে ম্যাট রেনশ কিছুটা লড়াইয়ের মানসিকতা প্রদর্শন করলেও সামগ্রিক ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে কাগিসো রাবাদার বলে রেনশের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই সাবেক ওপেনার। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সামনে অজিদের এই আত্মসমর্পণের পেছনে কৌশলগত ঘাটতিও দায়ী বলে মনে করেন তিনি। স্বাগতিকদের পক্ষে সাইমন হারমার ও কাগিসো রাবাদার দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

ম্যাচের এক পর্যায়ে ক্যামেরন গ্রিন ও নাথান লায়ন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা জয় এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। গ্রিনের ভুল কলের কারণে জশ ইংলিস রানআউট হয়ে ফিরে গেলে দলের পরাজয় ত্বরান্বিত হয়। গ্রিনের ওই ভুল সিদ্ধান্তটির কড়া সমালোচনা করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথও। এই জয়ের সুবাদে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, আর অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে তিন নম্বরে। সিরিজ হারের এই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে অজিদের কৌশলগত জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com