• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি বিদেশে উচ্চশিক্ষার খোঁজে ‘স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ারে’ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় গ্রামীণ জনপদে ঘরে ঘরে ডায়াবেটিসের চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে আকিজ গ্রুপে নিয়োগ, আবেদন ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির নেতৃত্বে সুমন-শিবলী প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায় ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রপতি ভোরে প্রশ্নপত্র আসে এনবিআরের দুই কর্মীর কাছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উত্তর ৮-১০ লাখে যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৭ জনের ৫ জনই সরকারি কর্মচারী অনলাইনে আকর্ষণীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিশ্বজুড়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছে ইসরায়েলি কোম্পানি মানারাতে দুই দিনব্যাপী স্টেম ফেস্ট শুরু, অংশ নিচ্ছে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থী

ভোরে প্রশ্নপত্র আসে এনবিআরের দুই কর্মীর কাছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উত্তর

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: সম্প্রতি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে গত মাসের নির্ধারিত দিনে পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ধরা পড়ায় তা স্থগিত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এই নিয়োগ পরীক্ষা নতুন করে সম্পন্ন করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌশলে বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অবৈধভাবে সংগ্রহ ও বিক্রি করে আসছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, পরীক্ষার দিন ভোর থেকেই চক্রের মূল অভিযুক্তদের মুঠোফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি আসা শুরু করে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক অফিস সহায়কের মোবাইলে প্রথম অস্পষ্ট ছবি আসলেও, কিছুক্ষণ পর আরেক কম্পিউটার অপারেটরের কাছে আরও স্পষ্ট ছবি পৌঁছে যায়। এরপর দ্রুততার সঙ্গে সেই প্রশ্নপত্রের উত্তর তৈরি করে চক্রের অন্যান্য সদস্য ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিকট ছড়িয়ে দেওয়া হতো।

এই চক্রের নেটওয়ার্ক ভাঙতে অভিযান চালিয়ে এনবিআরের বেশ কয়েকজন কর্মী ছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারীদের আটক করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাদের পাকড়াও করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ স্ট্যাম্প, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র, সনদপত্র, ব্যাংকের চেক এবং নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের মতো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এই চক্রটি নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করত। চাকরিপ্রার্থীদের নিকট থেকে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিক্রি করত বলে প্রমাণ মিলেছে। তবে এই চক্রের মূল উৎস বা এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com