• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাওয়ার সব আয়োজন পূর্ণ করেছে: জামায়াত আমির ‎জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলবে এক্সপ্রেসওয়ে ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, অথচ ইশতেহারে ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্রী অস্বস্তিতে থেকে দিন শেষ বাংলাদেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন রাহুলের চ্যালেঞ্জ মোদিকে, জবাব দিতে এগিয়ে এলেন অমিত শাহ চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে নিজেদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য

দুদকের তলবে হাজির হননি সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলব সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হননি সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তাকে সেগুনবাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তলব করা হয়েছিল। নির্ধারিত দিনে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে তিনি কমিশনের কাছে আরও এক মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। দুদকের পক্ষ থেকে তার এই সময়ের আবেদন পাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাত স্বাক্ষরিত এক অফিসিয়াল নোটিশে তাকে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বক্তব্য শ্রবণ ও তা রেকর্ড করা অত্যন্ত জরুরি বলে নোটিশটিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। এছাড়া, জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার সময় তাকে জাতীয় পরিচয়পত্রের একটি ফটোকপি সঙ্গে আনার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। মূলত অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা উদঘাটন এবং তার সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার জন্যই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের অনুসন্ধান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর। কমিশনের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে। বর্তমানে সম্পূর্ণ অভিযোগটি অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ হলে অনুসন্ধান দলটি কমিশনের নিকট তাদের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রতিবেদনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ বা মামলা দায়েরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

উল্লেখ্য, এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এর আগে তিনি জেনারেল আজিজ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দেশের শীর্ষ এই সামরিক পদে আসীন হন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টানা তিন বছর সফলভাবে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করার পর তিনি ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যান। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে চলা এই অনুসন্ধানের বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com