• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভুয়া লেখক, প্রকাশক, এআইয়ে লেখা বই—গ্রন্থাগার ঘিরে তোলপাড় তামিলনাড়ুতে প্রয়োজনের অর্ধেক শিক্ষক সরকারি মেডিকেলে ‘পৃথিবীর ধ্বংস ১৩ই নভেম্বর’- ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবারও বিতর্ক কেন? মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার জমজমাট আসর যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের গুঞ্জনে কী বলছে হোয়াইজ হাউজ? প্রতিটি দিন যেভাবে গতকালের চেয়ে উন্নত করবেন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর কাছে বড় নির্মাণকাজ চলছে- দেখা গেল স্যাটেলাইট চিত্রে ২০২৭ সালেই সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করবে টেসলা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহযোগিতা বাড়িয়েছে চীন প্রতারণার শাস্তি পেলেন ‘ক্লিকি পন্টিং’

‘পৃথিবীর ধ্বংস ১৩ই নভেম্বর’- ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবারও বিতর্ক কেন?

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পৃথিবীর ধ্বংস বা মহাপ্রলয় নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এর মাঝেই গত শতাব্দীর ষাটের দশকের একটি পুরোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রসঙ্গ টেনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর শুক্রবার মানবসভ্যতার অন্তিম লগ্ন উপস্থিত হতে পারে—এমন একটি তাত্ত্বিক দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আধুনিক বিজ্ঞানীরা এই ধারণাকে নিছক একটি গাণিতিক কৌতুক ও অনুমান ছাড়া আর কিছুই বলে মনে করছেন না।

এই আলোচনার মূল উৎস হলো ১৯৬০ সালের ৪ নভেম্বর মার্কিন বিজ্ঞান বিষয়ক মর্যাদাপূর্ণ সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র। সে সময় ফেইনস্টার হেইনজ, সেবাস্টিয়ান ফোরস্টার এবং লরেন্স ই. লস নামের তিনজন গবেষক ওই প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের সেই গবেষণার শিরোনাম ছিল অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর—ডুমসডে: ফ্রাইডে, নভেম্বর ১৩। অর্থাৎ ত্রয়োদশ শতাব্দীর কোনো এক শুক্রবার মানবজাতির পতন ঘটবে এমন একটি গাণিতিক মডেল তাঁরা সেদিন উপস্থাপন করেছিলেন।

মূলত মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবং সেই অনুযায়ী পৃথিবীর সম্পদ ফুরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বিশ্লেষণ করে ওই গবেষক দল একটি প্রতীকী মডেল তৈরি করেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বাস্তবসম্মত কোনো ধ্বংসের দিন ঘোষণা করা নয়, বরং অতিরিক্ত জনসংখ্যার লাগাম টেনে ধরতে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় করা সেই গবেষণার ফল সাধারণ মানুষের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় তখন থেকেই নানা বিভ্রান্তির ডালপালা গজাতে শুরু করে।

বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে সেই পুরোনো ভবিষ্যদ্বাণীটি নতুন আঙ্গিকে সামনে আসায় তা আবারও ভাইরাল হয়েছে। অনেক কৌতূহলী মানুষ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা রকম মন্তব্য প্রকাশ করছেন। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ওই গবেষণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং পৃথিবীর ধ্বংসের সময় নির্ধারণ করার মতো কোনো প্রযুক্তি বা অলৌকিক জ্ঞান মানুষের আয়ত্তে নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com