• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়া নিয়ে বিতর্ক, পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট কুমিল্লার একমাত্র পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা এখন ‘বাণিজ্যিক পাড়া‘ গরম দুধে দুটি কাঁচা ডিম, আর কী খেয়ে তরুণদের ঘুম কাড়তেন মনরো ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৫১ বছর পর লাতিনো গভর্নর বেসেরা, চ্যালেঞ্জ কতটা সামাল দিতে পারবেন আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার রাজনীতিকের জয় ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাওসার হাসানের নিয়োগ প্রশ্নে রুল কেন ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলালেন ডুলি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেবে না জোটসঙ্গী দল ইউটিজে, আরও বেকায়দায় তিনি

আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের একটি বিশেষ আদালতে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারকাজ এগিয়ে চলেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিশিষ্ট কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আইনি যুক্তি ও প্রাথমিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

অভিযুক্তদের এই তালিকায় রয়েছে সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা। আদালতের এই আদেশের ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনি লড়াইয়ের নতুন এক ধাপে প্রবেশ করতে হলো। বিচারালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও পর্যালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী অভিযুক্তদের মধ্যে মির্জা আজম দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং বিচারিক কার্যক্রমে অনুপস্থিত আছেন। তার এই অনুপস্থিতির কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এই পরোয়ানা দ্রুত বাস্তবায়ন করে পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

কারাগারে থাকা বাকি আসামিদের আগামী ২২ নভেম্বর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্ধারিত ওই তারিখেই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এবং সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। বিচারিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের মক্কেলদের নির্দোষ প্রমাণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com