• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
‎জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলবে এক্সপ্রেসওয়ে ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, অথচ ইশতেহারে ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্রী অস্বস্তিতে থেকে দিন শেষ বাংলাদেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন রাহুলের চ্যালেঞ্জ মোদিকে, জবাব দিতে এগিয়ে এলেন অমিত শাহ চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে নিজেদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য আজ যে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা জিয়াউর রহমানই দেখিয়ে গিয়েছিলেন: এম সাখাওয়াত হোসেন

সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশে সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সামগ্রিকভাবে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই, তবে কিছু সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কিছুটা বেশি চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সার পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার জন্য বিজিবিকে ইতোমধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার অপব্যবহার করতে না পারে কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কড়া নজরদারি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে প্রতিবছর ইউরিয়া সারের যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার বিপরীতে সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার উচ্চ ভর্তুকি দিয়ে থাকে এমন কিছু নির্দিষ্ট সারের চাহিদা কোনো কোনো অঞ্চলে হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কৃষকদের সুবিধার্থে এবং সারের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার এখন ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, আগে প্রতিটি ইউনিয়নে মাত্র দুজন করে সার ডিলার থাকলেও বর্ধিত চাহিদা মেটাতে এখন থেকে প্রতি ইউনিয়নে অতিরিক্ত একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই এই নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এবং তাদের অনুকূলে সারের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আসন্ন রোপণ মৌসুমে কৃষকদের আর কোনো ধরনের সারের সংকটে পড়তে হবে না।

এর আগে মন্ত্রী রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের অভিনব পদ্ধতি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় কৃষি বিভাগ ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com