• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সন্তান না হওয়ার আক্ষেপে ভাঙল ৭ বছরের সংসার ৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন ‘ফেরিটিন ফেস’ কি? চেহারা দেখে কি রক্তশূন্যতা শনাক্ত করা যায়? ভালো বেতনে চাকরি আর উপযুক্ত পাত্রে বিয়ের আশ্বাস, পড়েন পাচারকারীদের ফাঁদে গাজীপুরে আবারও শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ার শেল নিক্ষেপ নদীর ওপর ভাসমান লোহাপট্টির টিকে থাকার লড়াই এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর, পুনঃপরীক্ষার শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন নিয়ম মানেন না এনএপিডির মহাপরিচালক কমিটি নেই, নেছারাবাদে বিএনপির তিন গ্রুপে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন আড়াই শ বছরের বাণিজ্যের সাক্ষী

৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কৃষকদের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলতি অর্থবছরে আমন মৌসুমে খাদ্যশস্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই কার্যক্রমে প্রতি কেজি আমন ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে পঁয়ত্রিশ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ঊনপঞ্চাশ টাকা এবং আতপ চাল আটচলসব টাকা দরে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের পর্যালোচনার ভিত্তিতে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, কৃষকদের উৎপাদন খরচ এবং তাঁদের ন্যায্য লভ্যাংশ হিসাব করেই এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি, বাজারদর এবং কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করেই আমন সংগ্রহের এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সরকারিভাবে এবার তিন লাখ মেট্রিক টন ধান এবং সাড়ে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কৃষকরা যেন কোনোভাবেই উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও যদি কোনো কৃষক অতিরিক্ত ধান সরকারের কাছে বিক্রি করতে চান, তবে সেটি গ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। লক্ষ্যমাত্রার অজুহাত দেখিয়ে কোনো কৃষককে খালি হাতে ফেরত পাঠানো যাবে না। কৃষকরা খাদ্য গুদামে ধান নিয়ে এলে তা কেনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি এই সংগ্রহ কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না এবং কৃষকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা হবে।

আগামী চৌদ্দ নভেম্বর থেকে আমন ধান সংগ্রহ অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে, যা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত চলবে। এছাড়া আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়ে একই সময়ে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com