
শিক্ষা ডেস্ক: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনটিআরসিএর নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদের মৌখিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে এবং তা শেষ হওয়ার পর এই নতুন পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আগের ধারাবাহিকতা বজায় না রেখে এবার সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যে কারণে এটিকে ১৯তম নিবন্ধনের পরিবর্তে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আসন্ন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত নিয়ম ভেঙে প্রিলিমিনারি ও মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ পরীক্ষা পদ্ধতি, নম্বর বণ্টন এবং সিলেবাসের রূপরেখা কী হবে, তা সরকারের সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সংশোধিত হওয়ার পরই চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রার্থীদের মোট তিনটি ধাপে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। প্রথম ধাপে এক ঘণ্টার ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যেতে পারে। এই ধাপে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তীতে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং সবশেষে উত্তীর্ণদের নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তাবিত সিলেবাসে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান এই চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হতে পারে এবং পাসের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ শতাংশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পরই এই পরীক্ষার তারিখ এবং সিলেবাসের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।