• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রামানুজনের একটি সূত্র থেকে মিলল অসীমসংখ্যক নতুন সূত্রের সন্ধান টাকা কোথায় ছাপানো হয়, কাঁচামাল আসে যেভাবে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ছয় সপ্তাহের মধ্যে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে ধর্মের অপব্যবহার ও বিভাজনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কলিন্সের বর্ষসেরা শব্দ ‘মগিং’-এর মানে কী গ্যাস সরবরাহ চারদিন বন্ধ থাকবে এমন সংবাদ বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা বাংলা-ইংরেজির বাইরে তৃতীয় যে ভাষা শেখাতে চায় সরকার হাবিপ্রবির গবেষণা: উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় কীটনাশক ছাড়াই বেগুন-ঢেঁড়স চাষ মাদারীপুরে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে অব্যাহতি

শুধু সরকার পরিবর্তনে কিংবা গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের মৌলিক সমস্যার সমাধান হয় না

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান সেমিনার কক্ষে সম্প্রতি বৈশ্বিক গণ-আন্দোলনের অভিমুখীনতা বিষয়ক একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, গবেষক ও চিন্তাবিদরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। আলোচনা সভায় বক্তারা গণ-অভ্যুত্থান এবং সার্বিক রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের নানা সমীকরণ নিয়ে বিশদ বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া এবং আন্দোলনের প্রকৃত লক্ষ্য নিয়ে সেখানে গভীর আলোচনা হয়।

<প্রাসঙ্গিক আলোচনায় বক্তারা বলেন যে, কেবল রাজনৈতিক সরকার পরিবর্তন কিংবা আকস্মিক কোনো গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই সমাজের গভীরে প্রোথিত মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান আশা করা যায় না। রাষ্ট্র কাঠামোর গুণগত পরিবর্তন না ঘটালে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন না হলে বারবার ক্ষমতার পালাবদল হলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ থেকেই যায়। ঐতিহাসিক বিভিন্ন গণআন্দোলনের উদাহরণ টেনে তারা উল্লেখ করেন যে, আন্দোলনের মূল চেতনা কেবল ক্ষমতা দখল নয়, বরং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সংস্কার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করা।

<প>আলোচনা সভায় অংশ নেওয়া বিশিষ্টজনেরা আরও অভিমত ব্যক্ত করেন যে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গণ-আন্দোলনগুলোর ধরন এখন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর অন্তর্নিহিত দর্শনও নতুন রূপ নিচ্ছে। কেবল স্লোগান বা প্রতিবাদের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া সম্ভব নয়, এর জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। বক্তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে বৈষম্য দূর করার ওপর বিশেষ জোর দেন এবং নীতিনির্ধারকদের জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

<প>অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বক্তারা একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা ও দায়িত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, জনগণের প্রকৃত মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। এই ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা দেশ গঠনে এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com