• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎ ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফেরদৌসীর শূন্য আসনে সংসদ সদস্য হলেন এলিজা জামান পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুরে পাঁচটি মামলা, আটক ২৯ ১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

Reporter Name / ২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের আদালতগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বর্তমানে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিয়ানব্বই লাখের বেশি। বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বিশাল পরিমাণ মামলার জট একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিচার বিভাগের এই পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিমধ্যে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিচার ব্যবস্থার এই স্থবিরতা কাটাতে বিচারকদের কাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাষায় উল্লেখ করেছেন যে বিচারকাজে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করেন এবং অলস সময় কাটাতে চান, তাঁদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। বিচার বিভাগের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দায়িত্বে অবহেলাকারী বিচারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন যে কোনো বিচারক যদি স্বাচ্ছন্দে অলস সময় কাটাতে চান, তবে তাঁদের তেমন অঞ্চলেই পদায়ন করা হবে যেখানে কাজ কম থাকে। তাঁর এই মন্তব্য বিচার বিভাগের ভেতরের কার্যপদ্ধতি ও প্রশাসনিক বদলি নীতির কঠোর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত বহন করে। বিচারালয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং কাজের গতি বাড়াতে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। মামলার জট কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আদালতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিচারকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিচার বিভাগের সামগ্রিক সংস্কার সম্পন্ন হলে এই মামলার পাহাড় অচিরেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com