• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে ৩৯৩ পদে বড় নিয়োগ এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়সহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকা জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভোটার টানতে নানা প্রতিশ্রুতি রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ৪১ টন ইউরেনিয়ামের চালান

বিদেশি অর্থছাড় কমল ৪২ শতাংশ

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অর্থনৈতিক খাতে বিদেশি উন্নয়ন সহায়তার অর্থ ছাড়ের গতি উল্লেখযোগ্য হারে শ্লথ হয়ে পড়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ ও অনুদান বাবদ মোট ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার পাওয়া গেছে। অথচ এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে সহায়তার এই পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক সহায়তার অর্থ ছাড় কমেছে প্রায় ৪৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার বা শতকরা হিসেবে ৪২ শতাংশ।

উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারের ওপর পুরোনো ঋণ পরিশোধের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আলোচিত তিন মাসের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণের মূল ও সুদ বাবদ সরকারকে মোট ১৩৫ কোটি ১৩ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই খাতে ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। অর্থাৎ নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ পাওয়ার হার কমলেও পুরোনো দায় মেটানোর জন্য সরকারকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

আলোচ্য সময়ে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ছাড় হওয়া অর্থের মধ্যে ঋণ ছিল ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ডলার এবং অনুদান হিসেবে এসেছে ১২ কোটি ৫ লাখ ডলার। অর্থ ছাড়ের পরিমাণ হ্রাস পেলেও এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে নতুন ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার প্রবণতা কিছুটা বেড়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ডলার। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, বড় কোনো উন্নয়ন সহযোগী যেমন বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক কিংবা চীন ও ভারতের কাছ থেকে নতুন কোনো ঋণের বড় প্রতিশ্রুতি আসেনি।

নতুন প্রতিশ্রুতির বড় অংশ না মিললেও পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী কিছু বড় সংস্থা তাদের অর্থ ছাড়ের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এই সময়ে বিশ্বব্যাংক ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার এবং এডিবি ১৬ কোটি ২১ লাখ ডলার ছাড় করেছে। পাশাপাশি ভারত থেকে সাড়ে ১০ কোটি, রাশিয়া থেকে দুই কোটি এবং চীন থেকে দেড় কোটি ডলার পাওয়া গেছে। এছাড়া খাদ্য সহায়তা বাবদ আগের বছরের মতোই এক কোটি ডলার ছাড় করা হলেও এই খাতে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। সবমিলিয়ে বৈদেশিক সহায়তার এই সমীকরণ দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন এক চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com