• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
জ্বালানি পরিস্থিতিসহ অর্থনীতি স্থিতিশীল হতে ২ বছর সময় লাগবে, জানালেন অর্থমন্ত্রী দেশে সবচেয়ে বেশি হরিলুট হচ্ছে স্বাস্থ্যখাতে: এমপি নাসের জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১ এপ্রিল থেকে দলকে বিব্রত না করতেই পদত্যাগ, মেয়র নির্বাচন করতে প্রস্তুত: ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি: ইশরাক হোসেন শুধু জিপিএ-৫ নয়, শুদ্ধাচার ও স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দাও: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নেতা-কর্মী নিয়ে প্রেসক্লাবে ইশরাক হোসেন, সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন আধঘণ্টা আগেই নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাবে এলেন ইশরাক হোসেন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে আবার নির্দেশ দিলেন আসামের হাইকোর্ট ইশরাকের পদত্যাগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী

মাতারবাড়ি হয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে সমুদ্রপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা জাপানের

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ রাজ্যগুলোকে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করার একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে জাপান। মূলত আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক শিল্প কেন্দ্রে রূপান্তর করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে জাপানি কূটনৈতিক সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং প্রকল্পটিকে একটি কার্যকর শিল্প মূল্যশৃঙ্খল বা ইনডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু চেইন হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

জাপানি অর্থায়নে নির্মিতব্য এই গভীর সমুদ্রবন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোও সরাসরি সামুদ্রিক বাণিজ্যের সুবিধা পাবে। অতীতে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বন্দরকে কেন্দ্র করে কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে যেভাবে অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলা হয়েছিল, মাতারবাড়ীকে ঘিরে ঠিক সেই আদলেই একটি সফল আঞ্চলিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করতে চায় জাপান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরকে কেন্দ্র করে এই ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। এই সফরে মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে জাপানি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে মাতারবাড়ী প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব সরেজমিন এই এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন।

জাপানি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বড় জাহাজ ভিড়ানোর জন্য আর বিদেশি বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হবে না। যদিও এর আগে ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতু নির্মিত হলেও নানা বাস্তবতায় সেটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি, তবুও জাপানি কর্মকর্তারা দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তারা বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটলে পুরো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com