• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পিছু হটল বিএসএফ একসময়ের শান্তিময় শহর কুমিল্লায় এখন যানজট–জলজট ও জনজট একাদশ শ্রেণির ভর্তি: তৃতীয় ধাপে আবেদন করার সূচি প্রকাশ ফ্যাসিস্টদের পথ কী? জামায়াত আমিরের কাছে জানতে চাইলেন বিএনপি মহাসচিব ভারতে বিক্ষোভে ‘গোদি মিডিয়ার’ সাংবাদিকেরা কেন তোপের মুখে পূজার ছুটিতে পাহাড়–ঝরনায় যেতে চান, খাগড়াছড়ির যেসব জায়গা হতে পারে গন্তব্য নিয়োগ দেবে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, এইচএসসি পাসেই আবেদন ৬৬৬ কোটি টাকা দাবি: গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ স্থগিত দশম গ্রেডসহ তিন দাবিতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন ধনীদের টেবিল ছেড়ে সাধারণের পাতে ক্যাভিয়ার, জেনে নিন রূপান্তরের কাহিনি

ধনীদের টেবিল ছেড়ে সাধারণের পাতে ক্যাভিয়ার, জেনে নিন রূপান্তরের কাহিনি

Reporter Name / ১০ Time View
Update : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

ফিচার ডেস্ক: ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অতীতে শ্যাম্পেন কিংবা ট্রাফলের পাশাপাশি ক্যাভিয়ারকে চরম আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। রুপার প্লেটে পরিবেশিত স্টার্জন মাছের ডিমের এই পদটি কেবল ধনকুবেরদের খাবার বলেই পরিচিত ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনে এই চিত্রের বড় ধরনের বদল এসেছে। অভিজাত ভোজসভা ছেড়ে ক্যাভিয়ার এখন জায়গা করে নিয়েছে তরুণদের আড্ডায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রেন্ডে। বিলাসিতার এই অনুষঙ্গটি এখন ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই চলে আসছে।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, উনিশ শতকের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাভিয়ার আজকের মতো এত মূল্যবান ছিল না। সে সময় মদের বারগুলোতে বাদাম বা পপকর্নের মতো বিনা মূল্যে ক্যাভিয়ার পরিবেশন করা হতো। পরবর্তীতে কাস্পিয়ান সাগরে মাত্রাতিরিক্ত মাছ শিকারের কারণে স্টার্জন মাছের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ায় দুই হাজার ছয় সালে বন্য স্টার্জন ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে রাতারাতি বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ ও ব্যয়বহুল খাবারে পরিণত হয় ক্যাভিয়ার।

তবে বর্তমান সময়ে কৃত্রিম উপায়ে মাছ চাষ বা অ্যাকুয়াকালচারের বিপ্লবের ফলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এই উৎপাদনে চীন নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বিশ্ববাজারে ক্যাভিয়ারের জোগান বহুগুণ বেড়ে গেছে। আগে যে ক্যাভিয়ারের টিন কিনতে পাঁচ শ ডলার বা তার বেশি খরচ হতো, তা এখন দুই শ ডলারের কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি নামী ব্রান্ডগুলোও এখন তাদের সাধারণ খাবারের সঙ্গে এই পদ যুক্ত করে ক্রেতাদের চমকে দিচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের সুবাদে ক্যাভিয়ার খাওয়ার চিরাচরিত নিয়মগুলো এখন পুরোপুরি বদলে গেছে। চামচ দিয়ে মেপে খাওয়ার দিন শেষ করে তরুণ প্রজন্ম এখন চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা পিৎজার সঙ্গে সানন্দে খাচ্ছে এই খাবারটি। তা ছাড়া প্রোটিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর হওয়ায় এটি কেবল শৌখিনতা নয়, বরং পুষ্টির উৎস হিসেবেও সমাদৃত হচ্ছে। বিলাসিতার পুরোনো সংজ্ঞাকে ভেঙে ক্যাভিয়ার আজ আধুনিক লাইফস্টাইলের একটি ট্রেন্ডি অংশে পরিণত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com