• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে: আইজিপি চট্টগ্রাম মোটর ফেস্টে নাসির সিনট্যাক্সের জমকালো উপস্থিতি ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময় মাদক সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪ মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের আরতিতে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা নাম বদলানোতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, রানার্সআপ ট্রাম্প স্বাধীনতার কথা বলে দিল্লির কৃতদাসত্ব করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার: রুহুল কবির রিজভী ৫৮ বছর পর রিয়ালের কীর্তি ছুঁয়ে বার্সেলোনার ‘নয়ে নয়’ এবার জমবে কি পার্থ–নীহার রসায়ন

নাম বদলানোতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, রানার্সআপ ট্রাম্প

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

মতামত ডেস্ক: আমাদের দেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থাপনা কিংবা সড়কের নাম পরিবর্তন করার একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা নতুন কোনো কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেক সময় পুরনো নাম মুছে ফেলে নতুন নামকরণের হিড়িক পড়ে যায়। এই সংস্কৃতি নিয়ে সমাজে বা গণমাধ্যমে খুব একটা গভীর আলোচনা কিংবা লেখালেখি হতে দেখা যায় না। অথচ নাম বদলানোর এই প্রবণতা আমাদের সামাজিক ও প্রশাসনিক সংস্কৃতির একটি নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বারবার পরিবর্তন করার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করে রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা ও ক্ষমতার পালাবদল। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে আগের সরকারের আমলে রাখা নামগুলো বদলে নিজেদের পছন্দমতো বা দলীয় মতাদর্শের সঙ্গে মিল রেখে নতুন নামকরণ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এর ফলে ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা দীর্ঘদিনের পরিচিত অনেক নামও হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়, যা সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।

এই নামকরণের রাজনীতি কেবল বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময়ে এর নানা রূপ দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নানা কারণে বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে ফেলার বহু নজির রয়েছে। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রবণতাটি অনেক বেশি দৃশ্যমান এবং ঘন ঘন ঘটে থাকে। রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব এবং ঐতিহ্য সংরক্ষনে উদাসীনতাই এই সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে প্রধানত দায়ী বলে মনে করেন সচেতন মহল।

প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে। নাম বদলানোর পেছনে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যয় এবং জনদুর্ভোগের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। নাম পরিবর্তনের রাজনীতি বন্ধ করে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে শ্রদ্ধা জানিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজে মনোনিবেশ করাই শ্রেয়। তবেই এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার অবসান ঘটিয়ে একটি স্থিতিশীল প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com