• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চরফ্যাশনে সার ডিলারশিপ বিতর্কে স্ট্যাম্পে লিখে দায়িত্ব হস্তান্তর যুবদল নেতার ডিপ সি গ্রিন পোশাকে স্নিগ্ধ জয়া, মিনিমাল পার্টি লুকে নজর কাড়লেন তিনি সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে মানের নিশ্চয়তা জরুরি বাংলাদেশে লোটোর ১৫ বছর: কাপাসিয়ায় নতুন কারখানা নন-কটন পোশাক রপ্তানিতে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ শিক্ষক রাবি ছাত্রদল নেতা, ক্লাস নেন তার মামা রেল কারখানায় নিম্নমানের কাজ দেখে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ককে তিরস্কার আন্তর্জাতিক সাইবার স্ক্যামার চক্রে ‘গোল্ডেন সন’ দুর্গন্ধ যাচ্ছেই না, নিষ্ফল ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বিশ্বকাপ টিকিটের জন্য ১২ দিনে দেড় কোটি আবেদন

আন্তর্জাতিক সাইবার স্ক্যামার চক্রে ‘গোল্ডেন সন’

Reporter Name / ১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক সাইবার প্রতারণা চক্রের সন্ধান পাওয়ার পর চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম বিভাগ। এই অপরাধ নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশ ও তাইওয়ানের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত বহুজাতিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন সন লিমিটেডের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজনের সম্ভাব্য সংযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জব্দ করা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য যাচাই-বাছাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে এই অপরাধচক্রের সঙ্গে উক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এর আগে নগরের একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মোট তেষটি বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের করা মামলায় তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। আসামিরা নিজ দেশের ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষা না জানায় জিজ্ঞাসাবাদে বড় ধরনের ভাষাসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এবং দীর্ঘ মেয়াদে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তের একপর্যায়ে কোকেন উদ্ধারের পৃথক একটি মামলায় গোল্ডেন সন লিমিটেডের হিসাব ব্যবস্থাপক সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিনকে রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছিলেন যে, কোম্পানিটির এক চীনা নাগরিকের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক সাইবার স্ক্যামিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে আদালতে কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হননি ওই কর্মকর্তা এবং মাদক মামলার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগও পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি। এ বিষয়ে গোল্ডেন সনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং কোম্পানি সচিব কেবল শেয়ারবাজারের কাজ দেখার কথা জানিয়েছেন।

২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গোল্ডেন সন লিমিটেডের শীর্ষ পদে তাইওয়ান ও বাংলাদেশি নাগরিকরা দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এর পরিচালনা পর্ষদেও বিদেশি নাগরিকদের জোরালো উপস্থিতি রয়েছে। অন্যদিকে, গত আগস্ট মাসে সাবেক সেনাসদস্যদের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণের চূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবন ভাড়া নিয়ে এই প্রতারণা চক্রের গোপন আস্তানা গড়ে তোলা হয়েছিল। ভবনের কেয়ারটেকারদের তথ্য অনুযায়ী, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে থাকা ওই ভবনে বিদেশি নাগরিকদের বাইরে যাওয়ার কোনো অনুমতি ছিল না এবং তাদের সমস্ত প্রয়োজন নির্দিষ্ট লোকজনের মাধ্যমেই মেটানো হতো। নিজ নিজ দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে এই চক্রের সদস্যরা চট্টগ্রামে এসে লুকিয়ে ছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com