• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বঙ্গোপসাগরে নজরদারি করবে ৪ স্যাটেলাইট, কীভাবে কাজ করবে এ ব্যবস্থা? ‘আর্জেন্টিনা ছাড়ার সময় মেসি কতটা কষ্ট পেয়েছিল, তা সবাই দেখেছি’ প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার তরুণ ও পেশাজীবীদের উদ্ভাবনী আইডিয়া আহ্বান করছে বিদ্যুৎ বিভাগ দুর্গাপূজায় নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধসহ ১৬ নির্দেশনা ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ডেসকোর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.২% ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯%, আইএমএফের পূর্বাভাস বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কমাল আইএমএফ, মূলে জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে সংকট জনতা ব্যাংকের ইউএই কার্যক্রম বাঁচাতে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার ২০ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য, মধ্য রাতে ডাকা হলো অ্যাম্বুলেন্স

জনতা ব্যাংকের ইউএই কার্যক্রম বাঁচাতে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত রাষ্ট্রমালিকানাধীন জনতা ব্যাংকের শাখাগুলোর কার্যক্রম সচল রাখতে বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর শর্ত এবং মূলধন ঘাটতি মেটানোর অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ ২০০ কোটি দিরহাম মূলধন জোগানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বছর ব্যাংকটির কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার সন্তুষ্টি অর্জন এবং ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি মজবুত করার লক্ষ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার ঘোষণা আসে।

স্থানীয় আইন অনুযায়ী আমিরাতে পরিচালিত বিদেশি ব্যাংকগুলোর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিশোধিত মূলধন রাখা বাধ্যতামূলক হলেও জনতা ব্যাংকের সেই অনুপাতে ঘাটতি ছিল। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সেখানে ব্যাংকটির শাখাগুলোর মূলধন থাকার কথা ছিল ৪০ কোটি দিরহাম, অথচ বাস্তবে ছিল মাত্র ১০ কোটি দিরহাম। এই ঘাটতির কারণে গত বছর ব্যাংকটির শাখাগুলো বন্ধ করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল এবং তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপে কিছু অর্থ পাঠানো হলেও সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আরও বড় সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তাপত্র প্রেরণ করেন। ওই চিঠিতে স্পষ্ট করা হয় যে, জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সামগ্রিক মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় করে এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই মূলত এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করা হবে। মূলত ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সুনামের সঙ্গে প্রবাসীদের ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছে জনতা ব্যাংকের আবুধাবি, দুবাই, শারজাহ ও আল আইন শাখা। দেশটিতে বসবাসরত লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি এই শাখাগুলোর মাধ্যমে নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠানো ছাড়াও বিভিন্ন সঞ্চয়ী হিসাব ও বন্ডে বিনিয়োগ করে আসছেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রেও ব্যাংকটির শাখাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রবাসীদের এই সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব সুরক্ষিত রাখার স্বার্থেই সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই বড় পদক্ষেপ নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com