• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চ্যাটজিপিটির গণিত গবেষণা নিয়ে বিতর্ক, ওপেনএআই বয়কটের ডাক গণভোটকে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বিএনপি: মামুনুল হক আগামী মাসেই শুরু হবে বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন: গভর্নর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারি মেডিকেল কলেজের যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণের তাগিদ মন্ত্রীর ফোনে সহজেই চালু করুন স্টারলিংকের মোবাইল সেবা ১৮৩৭ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায় নতুন করে আবার গণভোটের প্রয়োজন কেন? এনসিপির আলোচনা সভা: সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করবে মাহফিলের নামে সরকারের বিরোধিতা করলে মেনে নেওয়া হবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

Reporter Name / ৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন স্পিকার। শাসকদলের পক্ষ থেকে এই বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগী হওয়ার অভিযোগ এনে পদ হারানোর দাবি জানানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘ শুনানির পর বিধানসভার স্পিকার এই আবেদন নাকচ করে দেন, যা রাজ্য রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আইনি লড়াইয়ের এই পর্বে অভিযুক্ত বিধায়কদের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে জোরালো যুক্তি পেশ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যে পুরনো আইনের ভিত্তিতে এই পদ খারিজের আবেদন করেছিলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা সম্পূর্ণ অকার্যকর। মূলত বিধানসভার বর্তমান নিয়মকানুন এবং আইনি জটিলতার কারণেই ওই আবেদনটি টিকতে পারেনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধানসভার অন্দরে এই সিদ্ধান্ত আসার পর রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনায় শাসকদলের কৌশলগত ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সংশ্লিষ্ট বিধায়করা এই রায়কে নিজেদের পক্ষে আইনি জয় বলেই মনে করছেন। এর ফলে আপাতত ওই দশ বিধায়কের বিধানসভার সদস্যপদ নিয়ে কোনো আইনি সংকট রইল না এবং তাঁরা তাঁদের নিজ নিজ পদে বহাল থাকছেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও দলবদল সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নানা জলঘোলা হয়েছে। বর্তমান রায়ের পর এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ের পরিধি আরও বাড়ে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সব মহলের। বিধানসভার স্পিকারের এই আদেশের ফলে আপাতত স্বস্তিতে রয়েছেন অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com