• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিলুপ্তির মুখে থাকা কুমিরকে বাঁচাতে কম্বোডিয়া যা করছে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মার্কিন রণতরিসহ ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এশিয়ান গেমস ফাইনালের আগে ভারতকে স্বস্তি দিলেন নাকভি বিদেশি অপারেটরের হাতে বন্দর, ক্ষুব্ধ শ্রমিক সংগঠনগুলো ফ্যাসিবাদের পাহারাদার তারেক রহমানের দপ্তর: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী সরকার জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে অঙ্গীকারবদ্ধ: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী—ছড়ানো তথ্যটি সঠিক নয় ঢাকায় কাল শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ অবশেষে ধুমধামে বিয়ে সুচিত্রার

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মার্কিন রণতরিসহ ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name / ৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

ইরানে নতুন করে সামরিক আগ্রাসন চালানোর হুমকি দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও জোরদার করার পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ওয়াশিংটন ওই অঞ্চলে নতুন করে একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে এই রণতরীর বহরের সঙ্গে প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনাও মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে। মূলত চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের সামরিক প্রস্তুতির কথা জানানো হলো।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শেষ নাগাদ ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ নামক বিমানবাহী রণতরীটি তার স্ট্রাইক গ্রুপসহ মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বর্তমানে মার্কিন এই অঞ্চলটিতে ইতোমধ্যে ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ এবং ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’ নামের দুটি রণতরী সক্রিয়ভাবে মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দায়িত্ব পালনকারী ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’কে সম্প্রতি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। নতুন রণতরীটি যুক্ত হলে ওই অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি ও শক্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে তেহরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার অংশ হিসেবে ইরানের পাঠানো একটি শান্তি প্রস্তাব সম্প্রতি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ওই শান্তি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল বলে জানা গেছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে তেহরান বর্তমানে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে সমঝোতা চাইছে। তবে ওয়াশিংটন সেই প্রস্তাব আমলে না নিয়ে উল্টো সামরিক চাপ বজায় রাখার নীতিতে অটল রয়েছে।

অন্যদিকে ইসরাইলগামী ‘ফ্লাইদুবাই’ এয়ারলাইনসের একটি বিমানে কো-পাইলটের মাধ্যমে ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত ও বিমানটি বিধ্বস্ত করার সাম্প্রতিক একটি ঘটনার পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই অন্তর্ঘাতমূলক ঘটনায় তেহরানের সংশ্লিষ্টতা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে ইরান দায়ী প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ও ধ্বংসাত্মক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com