• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ইরানের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ আটকে দিল তুরস্ক নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৬৭ গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা হবে: জয়সওয়াল রণবীর–আলিয়ার রোমান্টিক ছবি ঝড় তুলেছে পশ্চিমা গণমাধ্যম যুদ্ধের খবর পক্ষপাতদুষ্টভাবে তুলে ধরছে: ইরানের রাষ্ট্রদূত বিকাশ-নগদের সিম জালিয়াতি, প্রতারক চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার মানবাধিকার ও জলবায়ু নীতি নিয়ে ঢাবি-এএফডির যৌথ গবেষণার উদ্যোগ ময়মনসিংহে এনসিডি কর্নারে ওষুধ সংকট, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি পশ্চিমবঙ্গের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা ঘিরে ৫০-৬০ কোটি রুপি আত্মসাতের অভিযোগ ‘ভাইরাল মিজান’কে কারা এত পরিচিত করল

গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা হবে: জয়সওয়াল

Reporter Name / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার গঙ্গার পানি বণ্টন এবং অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন সংক্রান্ত সকল অমীমাংসিত বিষয় যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছে ভারত। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে এক নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের এই পানি অংশীদারিত্বের বিষয়টি দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই সুরাহা করা সম্ভব বলে মনে করছে নয়াদিল্লি।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে ১৯৯৬ সালের ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এর প্রেক্ষাপটে ঢাকা চুক্তিটি কেবল নবায়ন না করে বরং একটি সম্পূর্ণ নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ নদী বিষয়ক সংলাপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি শুষ্ক মৌসুমে দেশের জন্য পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ ধরে রাখার পাশাপাশি বর্ষার অতিরিক্ত পানি জনিত বন্যা ও অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে বাংলাদেশ নতুন চুক্তিতে কঠোর অবস্থান নেবে।

বাংলাদেশের এই দাবির প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন আগে থেকেই সক্রিয় রয়েছে এবং গঙ্গাসহ সব নদীর পানিবণ্টন সংক্রান্ত বিষয়গুলো এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমেই আলোচনা করা হবে। তাছাড়া, চুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে গত আগস্ট মাসে জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন যে, নতুন চুক্তি প্রণয়নের প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ একটি বিশেষ দল গঠন করেছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে ভারতীয় পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হতে যাচ্ছে। ফারাক্কা পয়েন্টে শুষ্ক মৌসুমে পানির সঠিক হিস্যা নির্ধারণের লক্ষ্যেই মূলত এই চুক্তিটি করা হয়েছিল। এদিকে, ভারতীয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সাম্প্রতিক ঢাকা সফর সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান যে এ বিষয়ে তার কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com