• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ব্যক্তিগত ইভেন্টেও আরচারদের হতাশা এটা যৌনতা ও নিজের প্রয়োজন বোঝার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়: ৪১–এ পা দিয়ে রাধিকা নির্বাচনে প্রার্থীর ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা প্রশ্নে রুল অক্টোবরে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি আসছে: রোসাটম ইরানকে নিষেধাজ্ঞার ছাড় দিতে ট্রাম্পের যে শর্ত সিডনিতে শেষ হলো বাংলাদেশি চিকিৎসকদের দুই দিনের বৃহৎ সম্মেলন মেটার ১৪.৩ বিলিয়ন ডলারের বাজির কেন্দ্রে—কে এই আলেক্সান্ডার ওয়াং চাঁদাবাজদের ‘ভিক্ষা’ দিতে ‘দানবাক্স’ বসালেন হাসনাত ও পাটওয়ারী বিটিএস–ভক্ত পাবনার তিন কিশোরী অন্য দেশে চলে যেতে চেয়েছিল, যেভাবে উদ্ধার টানা ১০ বছর কিছুই করতে পারেননি, অর্থকষ্টে বাসা থেকে উচ্ছেদের আশঙ্কায় ছিলেন, তিনি ৪৩০ কোটি টাকার মালিক

টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু

Reporter Name / ২ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী বিআরটি উড়ালসড়কের স্টেশন রোড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আকস্মিক এই প্রাণহানিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ঘাতক কাভার্ডভ্যানসহ এর চালককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে চালককে হেফাজতে নিয়েছে।

নিহতরা হলেন ৪৫ বছর বয়সী আয়েশা খাতুন এবং তাঁর ২২ বছরের তরুণ ছেলে ইয়াছিন। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার বাদাম মাছিয়া গ্রামে এবং তাঁরা মো. চান মিয়ার স্ত্রী ও সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহতরা গ্রামের বাড়িতে একটি পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে আলম এশিয়া পরিবহনের একটি বাসে চড়ে টঙ্গীর নিমতলী এলাকার ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। বাস থেকে নেমে তাঁরা স্টেশন রোড এলাকায় উড়ালসড়কের পাশে ফুটপাতে অবস্থান করছিলেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে গাজীপুর থেকে ঢাকাগামী একটি বেপরোয়া গতির কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর তুলে দেয়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় আয়েশা খাতুন, ইয়াছিনসহ মোট তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে পৌঁছানোর পর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মা আয়েশা খাতুন ও ছেলে ইয়াছিনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই দুর্ঘটনায় আহত অপর একজন নারী বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর চিকিৎসা চলছে। টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানিয়েছেন যে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com