• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর শপথ নেওয়ার পর পুলিশের হাতে আটক জার্মানজুড়ে ৪৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর গণবিক্ষোভ বোমা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিউইয়র্ক—সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন ইরানের নেতারা ওয়াশিংটন সফরে ‘সফট পাওয়ার’ দেখালেন চীনের ফার্স্ট লেডি পেং ১১৪ অভিযোগেই ম্যানচেস্টার সিটির দোষ প্রমাণিত প্রায় দুই মাসের বদলে মাত্র দুই ঘণ্টায় শনাক্ত হবে মস্তিষ্কের টিউমার ইমরান খানকে নিয়ে সংকটে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জাতিসংঘেও কালো সানগ্লাস পরে ভাষণ দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু কেন সাবেক স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে করায় ১৪ বছরের ছেলেকে শ্বাসরোধে খুন করলেন বাবা কোনো পার্টিতে সব বন্ধুকে দাওয়াত না দেওয়া কি অভদ্রতা

পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ব্যয় ৫২৯ কোটি রুপি, অর্ধেকের বেশিই পশ্চিমবঙ্গে

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি মোট ৫২৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনে দলটির পক্ষ থেকে জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক ব্যয়ের হিসাব থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে। আসাম, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় দলীয় দপ্তর থেকে এই বিশাল অংকের অর্থ খরচ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দলটির ব্যাংক হিসাব ও হাতে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৬৮৯ কোটি রুপি।

নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, এই ব্যয়ের সিংহভাগ টাকাই খরচ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, যা মোট খরচের অর্ধেকেরও বেশি। রাজ্যটিতে দলীয় প্রচার এবং প্রার্থী বাবদ মোট ২৮৬ কোটি রুপি ব্যয় করেছে ক্ষমতাসীন দলটি। এর মধ্যে সাধারণ প্রচারাভিযানে ২১৭ কোটি টাকার বেশি এবং বিভিন্ন প্রার্থীদের পেছনে প্রায় ৭০ কোটি রুপি খরচ করা হয়েছে। এই রাজ্যে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যেই মূলত সর্বাধিক আর্থিক বিনিয়োগ করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ খরচ করেছে দলটি। প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, আসামে ৯৬ কোটি টাকার বেশি এবং কেরালায় প্রায় ৮৩ কোটি রুপি ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়া তামিলনাড়ুতে ৫১ কোটি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে প্রায় ১২ কোটি রুপি খরচ হয়েছে নির্বাচনী কার্যক্রমে। বিভিন্ন জনসভা আয়োজন, যাতায়াত খরচ, প্রচারসামগ্রী তৈরি এবং বিজ্ঞাপনের পেছনে এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

ভারতের নির্বাচন আইন অনুযায়ী পৃথক প্রার্থীদের খরচের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারিত থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ঊর্ধ্বসীমা নেই। ফলে দলগুলো নিজেদের কৌশল ও প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচারণায় উন্মুক্ত অর্থ ব্যয় করতে পারে। তবে নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি নির্বাচনী অধ্যায় শেষ হওয়ার পর দলগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খরচের পূর্ণাঙ্গ বিবরণী নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। সর্বশেষ এই হিসাব বিবরণী থেকে দেশের প্রধান এই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারণার বিশাল আর্থিক কাঠামোর চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com