• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থাকে নিশ্চিহ্ন করতে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ চলছে: জর্ডান এশিয়ান গেমসের জন্য দেশ ছাড়লেন লিটনরা নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে ফিরলেন এমএস নাও, সিএনএন ও পলিটিকোর সাংবাদিকরা ৩৪ বছর পর এই প্রথম কোনো শিশু জন্মাল প্রত্যন্ত এক স্কটিশ দ্বীপে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমান নাৎসি বন্দিশিবিরে অপরাধের অভিযোগে তদন্তের মুখে ১০৫ বছর বয়সী ব্যক্তি ইরান যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংলাপে ফেরার আহ্বান শি জিনপিংয়ের রাশিয়ার জন্য এবারের শীতকে যন্ত্রণাদায়ক করে তুলব—জাতিসংঘে জেলেনস্কির হুঁশিয়ারি ট্রাম্প-সি বৈঠক: বাণিজ্য, এআই ও তাইওয়ান নিয়ে আলোচনায় দুই নেতা হোয়াইট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ট্রাম্প-শি, আলোচনায় বাণিজ্য-প্রযুক্তি-নিরাপত্তা

ইরান যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংলাপে ফেরার আহ্বান শি জিনপিংয়ের

Reporter Name / ১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান বৈরিতা ও যুদ্ধাবস্থা নিরসনে উভয় পক্ষকে আবারও আলোচনার টেবিলে বসার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই বার্তা দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের সংঘাত এড়াতে আলোচনার মাধ্যমেই একমাত্র সমাধান সম্ভব বলে মনে করছে চীন।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে শি জিনপিং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে বেইজিং সবসময় সব স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার নীতিতে বিশ্বাস করে। মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত উত্তেজনা প্রশমিত করতে এবং বিবদমান পক্ষগুলোকে সংলাপে উদ্বুদ্ধ করতে চীন শুরু থেকেই অত্যন্ত গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে দুই পক্ষের পুনরায় ফিরে যাওয়ার বিষয়ে বেইজিংয়ের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেও মার্কিন প্রশাসনকে অবহিত করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। পারমাণবিক ইস্যুসহ অন্যান্য জটিল বিরোধ নিষ্পত্তি করে একটি স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডার মধ্যে তাইওয়ান ইস্যুটিও বিশেষভাবে স্থান পায় এবং এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনকে সতর্কবার্তা দেন চীনা নেতা। ওয়াশিংটনকে ‘তাইওয়ান স্বাধীনতার’ প্রকাশ্য বিরোধিতা করার নিজেদের অবস্থান বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে শি জিনপিং বলেন, তাইওয়ান সংক্রান্ত যেকোনো পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নেওয়া উচিত। বেইজিংয়ের এই দৃষ্টিভঙ্গি মেনে চললে দুই পরাশক্তির মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হবে। তাছাড়া, চীনের জাতীয় ঐক্য ও দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় তাদের অবস্থান যে সম্পূর্ণ অনড় ও স্পষ্ট, সেটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে পারস্পরিক কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রেখে একটি কার্যকর ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন চীনা প্রেসিডেন্ট। তিনি মন্তব্য করেন যে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার এই সুসম্পর্ক কোনো সাময়িক রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পথচলার অংশ। দুই দেশের মধ্যে এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকলে ভবিষ্যতে ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো সম্ভব হবে এবং পারস্পরিক সহাবস্থানের সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিশ্বের এই দুই প্রভাবশালী দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com