• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, বাবার বিরুদ্ধেই হত্যার অভিযোগ কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, পরে বিতরণ খুলনায় গুলিবিদ্ধের ৩২ দিন পর যুবকের মৃত্যু শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে বোমা হামলায় ১৯ জন দোষী সাব্যস্ত ব্রিজে রডের বদলে বাঁশ: ঠিকাদার গ্রেপ্তার ‘একটা জ্যাতা নমো পুড়মু’- বাউফলে ব্যবসায়ীকে হুমকির পর কী ঘটেছে? ট্রাম্পের কাছে যে আবেদন করতে যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে বোমা হামলায় ১৯ জন দোষী সাব্যস্ত

Reporter Name / ১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালে সংঘটিত রোমহর্ষক ইস্টার সানডে বোমা হামলার ঘটনায় দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বড় ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির একটি উচ্চ আদালত এই নাশকতার মূল ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৫ জন অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। বহু প্রতীক্ষিত এই রায়টি শ্রীলঙ্কার বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ওই বিশেষ দিনে শ্রীলঙ্কার একাধিক গির্জা ও বিলাসবহুল হোটেলে সমন্বিত আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এই হামলায় বহু দেশি-বিদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং আহত হয়েছিলেন শত শত মানুষ, যা পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

দীর্ঘ তদন্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা এই মর্মান্তিক ঘটনার পেছনে সরাসরি ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকা বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিদের ঠিক কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ওই হামলার পর থেকেই শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গোয়েন্দা বিভাগের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছিল। বর্তমান রায়ের মধ্য দিয়ে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটার পথ সুগম হয়েছে এবং তারা কিছুটা হলেও সান্ত্বনা খুঁজে পাবেন। দেশটির বিচার বিভাগীয় এই কঠোর পদক্ষেপ ভবিষ্যতে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে একটি শক্তিশালী বার্তা দেবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com