• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের দাম বেড়ে ৩২ ডলার, ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা: জ্বালানিমন্ত্রী সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাওয়ার সব আয়োজন পূর্ণ করেছে: জামায়াত আমির ‎জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলবে এক্সপ্রেসওয়ে ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, অথচ ইশতেহারে ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্রী অস্বস্তিতে থেকে দিন শেষ বাংলাদেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন

শব্দসৈনিক রেজাউল করিম রবু আর নেই

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, কারণ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম শব্দসৈনিক রেজাউল করিম রবু আর আমাদের মাঝে নেই। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন, যা তাকে দেশের সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় করে রাখবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার অবদান এবং পরবর্তীকালে গণমাধ্যমে তার পেশাদারিত্বের জন্য তিনি সর্বমহলে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যম জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

কর্মজীবনের একটি দীর্ঘ ও সফল সময় তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যেখানে তিনি মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছিলেন। টেলিভিশন মাধ্যমকে জনমুখী ও মানসম্মত করে তুলতে তার অবদান ছিল অগ্রগণ্য এবং সহকর্মীদের কাছে তিনি এক নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রশাসনিক দক্ষতার পাশাপাশি সৃজনশীল অঙ্গনেও তার সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রসারে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। অবসরে যাওয়ার পরও তিনি দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা জাতি সবসময় কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে, যখন তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিক হিসেবে কাজ করেছিলেন। তৎকালীন পরিস্থিতিতে দেশের মুক্তিকামী মানুষকে উজ্জীবিত করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে তার কণ্ঠ ও অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের সেই কঠিন দিনগুলোতে তার ভূমিকা তাকে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তিনি আজীবন সচেষ্ট ছিলেন।

তার এই মহাপ্রয়াণে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনেরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। বাংলা সংস্কৃতি ও মুক্তিসংগ্রামে তার অবদানের কথা স্মরণ করে বিভিন্ন মহল থেকে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হচ্ছে। যদিও তিনি শারীরিকভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তবে তার আদর্শ ও কর্মজীবন আগামী দিনেও সংস্কৃতিকর্মী ও নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com