• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

ছেলের আত্মহত্যার ১১ দিন পর বাবার মরদেহ উদ্ধার

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট নগরীতে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই তার বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলের মৃত্যুর শোক কাটানোর আগেই বাবার এমন আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোক এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও এই ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

এর আগে গত কিছুদিন আগে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত নিজ বাসভবনে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল। ছেলের এই untimely মৃত্যুর পর থেকেই পুরো পরিবার গভীর মানসিক অবসাদ ও শোকাভিভূত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিল। বিশেষ করে বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী ছেলের শোক কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না এবং মানসিকভাবে ভীষণ ভেঙে পড়েছিলেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, একমাত্র সন্তানের এমন মর্মান্তিক পরিণতি বাবা সহজে হজম করতে পারেননি, যার ফলে পরিবারটি এক ধরণের নিঃসঙ্গ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে ছিল।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহটি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরেই কেবল মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। এটি নিছক আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।

মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে বাবা ও ছেলের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা ধরণের গুঞ্জন ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারটির অন্য কোনো সদস্য বা আত্মীয়স্বজন এখনও এই বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে চাননি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে পুরো ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com