• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাতেই দেশ ছাড়বে জামালরা, হামজা-ফারহানরা যোগ দিবেন ইন্দোনেশিয়ায় ‘একই কায়দায়’ ফেলে রাখা ৯ নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘আতঙ্ক’ যে কোনো সময় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, বেতন নিয়ে যা জানা গেল সালমান ভাইয়াকে ছাড়া শুটিং করতে গিয়ে জ্ঞান হারাই: নাসরিন তারেক রহমানকে নিজেকেই তার যাওয়ার রাস্তা বেছে নিতে হবে: নাহিদ ‘ভুয়া খবর দেয়’ দাবি করে তিনটি সংবাদ মাধ্যমকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প সুনামগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ শ্রীপুর পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় মেয়র প্রার্থীর ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক নিরাপত্তা চুক্তি

সিএনএনসহ ৩ সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিলেন ট্রাম্প

Reporter Name / ৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে বেশ কিছু প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার স্থায়ী বা সাময়িকভাবে বাতিল করেছেন। এই সিদ্ধান্তের আওতায় সিএনএন, এমএসএনবিসি এবং পলিটিকোর মতো পরিচিত গণমাধ্যমগুলোকে হোয়াইট হাউসের ভেতরে সংবাদ সংগ্রহ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এই কঠোর পদক্ষেপে মার্কিন গণমাধ্যম অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের সঙ্গে মূলধারার এই সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পর্কের টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায়শই এই গণমাধ্যমগুলোকে পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশন এবং ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেই বিরোধই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। হোয়াইট হাউসের মিডিয়া কভারেজের ক্ষেত্রে এই ধরনের কড়াকড়ি অতীতেও দেখা গেলেও একসঙ্গে একাধিক শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বাদ দেওয়ার ঘটনা বেশ বিরল।

প্রভাবশালী এই সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে মার্কিন গণমাধ্যমের স্বাধীন ও অবাধ প্রবাহ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন সংগঠন। সাধারণত হোয়াইট হাউসের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে সাংবাদিকদের অবাধ উপস্থিতি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার একটি বড় প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পর সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিরা হোয়াইট হাউসের ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না, যা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যম রক্ষা সংগঠন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে একে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস প্রশাসনের দাবি, দায়িত্বশীল ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার স্বার্থেই তাদের এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। সব মিলিয়ে হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com