• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ম্যাচের আগে কার সঙ্গে দেখা করলেন মেসি খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সড়কে মানুষের ঢল, স্টেডিয়াম এলাকায় কড়া নিরাপত্তা সিরাজগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছালো যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার গ্রিনল্যান্ড দখলের তীব্র হুমকি দেওয়ার পর অবশেষে দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ডেনমার্কের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে ওয়াশিংটন। সম্প্রতি প্রকাশিত এই চুক্তিটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক উত্তেজনার অবসান ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে এই বরফাবৃত দ্বীপটিকে নিজেদের আয়ত্তে নেওয়ার জন্য নানা ধরনের কৌশলগত চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন মার্কিন নেতৃত্ব।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সামরিক প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে এই দ্বীপটির ভূরাজনৈতিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে বৈশ্বিক রাজনীতিতে আরও বেশি সুবিধা দেবে। এছাড়া দ্বীপটির ভূগর্ভে লুকিয়ে থাকা প্রচুর পরিমাণে মূল্যবান খনিজ সম্পদ মার্কিন অর্থনৈতিক ও শিল্প খাতের জন্য খুবই আকর্ষণীয় বলে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এর আগে বিভিন্ন সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া মন্তব্যে ডেনমার্ক সরকার এবং গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় প্রশাসন বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিল। সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার বিষয়ে ডেনমার্ক শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে ছিল। তবে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং নানামুখী ভূরাজনৈতিক সমীকরণের ফলে উভয় পক্ষ শেষ পর্যন্ত পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সম্মত হয়।

এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন কিছুটা প্রশমিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব বজায় থাকলেও ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে, তা নিয়ে আগামী দিনে আরও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি করে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com